এত বেশি লেখাপড়া করে, এই কাজ তুমি করবা?

এত বেশি লেখাপড়া করে, এই কাজ তুমি করবা?

তোমার যে লেখাপড়া, এই কাজ তুমি করবা?

 

আমাদের সমাজে ছোট কাজ গুলোকে কোন কাজই ধরা হয় না। সমাজের লোকেরা ভাবে সবাই বড় বড় কাজ করবে। সবাই যদি একসাথে বড় কাজ বা সরাসরি কাজ করতে চায়, তাহলে কি সবাইকে এক সাথে সরকারি চাকরি দেওয়া সম্ভব?

আচ্ছা ভাবলাম সবাইকে সরকারি চাকরি দেওয়া হলো তবে মাঝারি ধরনের কাজ, বা বেসরকারি চাকরি কে করবে?
অনেকের কাছে বেসরকারি চাকরির কোন গুরুত্ব ই নাই।

কিন্তু এইটা কি জানেন” এমন অনেক বেসরকারি চাকরি আছে যা সরকারি চাকরির চেয়েও বেতন সুযোগ সুবিধা ভালো।

সমাজে কোন ছেলে বা মেয়ে লেখাপড়া অবস্থায় যদি কোন বুকশপ, ফার্মেসি, বা বিভিন্ন দোকানে পার্ট টাইম জব করে । এটা দেখলে এমন অনেক পরিচিত জন আছে , যারা এই কাজ টা কে তো নিরুৎসাহিত করবেই সাথে বলবে ” তুমি এতবড় লেখা পড়া করে এই কাজ করো?? এই কাজ তোমায় মানায়?

আচ্ছা আপনিই বলুন তো ঐ ছেলেটা তো বসে নেই, কিছু না হলেও বসে বসে বাবার পকেট ফাঁকা করতেছে না। সে নিজেকে ছোট থেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। সে চাইছে তার একটা এক্সট্রা অভিজ্ঞতা হোক। সে চাইছে যখন সরকারি চাকরির ভাইভা বোর্ডে অভিজ্ঞতা আছে কি না জানতে চাইলে বলতে পারে তার একটা কাজের দক্ষতা আছে।

আপনার উচিত ছিল তাকে উৎসাহ দেওয়ার। হোক সে কম বেতনে পার্ট টাইম জব করছে , করতে দিন। তাকে উৎসাহ দিতে না পারলেও তাকে নিয়ে বাজে সমালোচনা করবেন না।

যদি সমালোচনা করতেই হয় তবে ভিন্ন ভাবে করুন, আপনার আশেপাশের অনেকেই আছে ঐ ছেলের বয়সি বা তার চেয়েও বড় অথচ তারা বাসায় বসে বসে বাবার পকেট ফাঁকা করতেছে। তাদের সাথে তুলনা করুন।

আপনার একটা কথায় যদি একজন ছেলে বা মেয়ে সামান্যতম উৎসাহিত হয় এতেই তারা আপনাকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে। যদি বিপরীত হয় তবে ঘৃণা …
আসুন সমাজ থেকে নেগেটিভ চিন্তাকে দূর করি। সুস্থ সমাজ গড়ি।