গত বছর লক ডাউনের কারণে যারা বেকার হয়ে গেছেন তাদের বড় অংশ এখনো বেকার

গত বছর লক ডাউনের কারণে যারা বেকার হয়ে গেছেন তাদের বড় অংশ এখনো বেকার

গত বছর লক ডাউনের কারণে যারা বেকার হয়ে গেছেন তাদের বড় অংশ এখনো বেকার।

একটা অংশের চাকরি আছে তবে অর্ধেক বেতন পাচ্ছে এখনো। নতুন কোথাও চাকরি নিয়ে চলে যাবে সেই অপশনও নেই। কারণ এই আকালে কেউ চাকরি দিচ্ছে না। অনেকে আশায় আছে বন্ধ কোম্পানি চালু হবে, তাদেরকে আবার চাকরির জন্য ডাকবে।

ছোট একটা অংশ ডেলিভারি ম্যান, উবার, পাঠাও এর কাজ করে কোনমতে দিন চালিয়ে যাচ্ছেন। একটা অংশ ধার কর্য করে পাওনাদারদের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের অবস্থা আরো ভয়াবহ। হাতে গোনা দুই একজন ছাড়া বেশিরভাগ ব্যবসায়ী পূজি ভেংগে খেয়েছেন। নতুন করে ধার দেনা নিয়ে, ব্যবসার শেয়ার বিক্রি করে অথবা ইনভেস্ট নিয়ে অনেকে যখন শেষ চেস্টা করছেন তখন লক ডাউনের পদধ্বনি শুনে এদের মনে আতংক তৈরি হচ্ছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরি ও বেতন নিয়ে কোন টেনশন নেই। দেশ ২ বছরের জন্য লক ডাউন থাকলেও তারা বেতন পাবেন। সুতরাং যারা লক ডাউনের সূর তুলছেন তাদের এসব নিয়ে চিন্তা নেই। তবে সরকার যদি এই মুহুর্তে ঘোষণা দেয় লক ডাউনের সময় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বন্ধ থাকবে তাহলে আমার বিশ্বাস কোন সরকারি কর্মচারী জীবনেও লক ডাউনের নাম মুখে নিবে না।

ঈদের আর মাত্র দেড় মাস বাকী। বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী শুধুমাত্র ঈদের অপেক্ষায় থাকেন। কারণ সেইসব আইটেম শুধুমাত্র ঈদে বেচা হয়। এই সময় তারা লাভ করেন, বাকী ১১ মাস শুধুমাত্র দোকান ভাড়া উঠালেই চলে।

গত বছর লক ডাউনের কারণে ব্যবসায়ীদের জান এমনিতেই শেষ, তার উপর এবার যদি ঈদের আগে লক ডাউন হয় তাহলে এইসব ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবিদের সামনে মরা ছাড়া আর কোন রাস্তা খোলা থাকবে না।

আর যদি লক ডাউন দিতেই হয় তাহলে সরকারি কর্মচারীদের বেতনও ছুটির সময়ে কাটার দাবী রইল। অথবা বেসরকারি কর্মচারীদের বেতন সরকারের পক্ষে থেকে দেয়ার অনুরোধ রইল।

hadisurbd.com